রাব্বানা দোয়া | সূরা আল-বাকারা ২:২০১ | Surah Al-Baqarah 2:201
আয়াত ও সূরা সম্পর্কে | সূরা আল-বাকারা ২:২০১
| বিষয় | রাব্বানা দোয়া |
| সূরার নাম ও নম্বর | সূরা আল-বাকারা (২) |
| সূরার ধরণ | মাদানী সূরা |
| আয়াত নম্বর | ২০১ |
| রুকু ক্রম | ২৬ |
| পারা বিস্তৃতি | ২ |
| মোট আয়াত সংখ্যা | ২৮৬ টি |
وَمِنْهُم مَّن يَقُولُ رَبَّنَآ ءَاتِنَا فِى ٱلدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِى ٱلْـَٔاخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِআর তাদের মধ্যে এমনও আছে, যারা বলে, হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন। আর আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।But among them is he who says, "Our Lord, give us in this world [that which is] good and in the Hereafter [that which is] good and protect us from the punishment of the Fire."
সূরা আল-বাকারা এর ২০১ নম্বর আয়াতের বিস্তারিত
পক্ষান্তরে তাদের মধ্যে (এমন কিছু লোক আছে) যারা বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান কর [১] এবং পরকালেও কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে দোযখ-যন্ত্রণা থেকে রক্ষা কর।’
[১] অর্থাৎ, ভাল কাজ করার তাওফীক দান কর। অর্থাৎ, ঈমানদাররা দুনিয়াতেও দুনিয়া চায় না, বরং নেকীর কাজের তাওফীক কামনা করে। নবী করীম (সাঃ) খুব বেশী বেশী এই দু'আটি পড়তেন। তাওয়াফ করাকালীন অনেক লোকে প্রত্যেক চক্করে পৃথক পৃথক দু'আ পড়ে থাকে, যা মনগড়া দু'আ। এই দু'আগুলোর পরিবর্তে তাওয়াফের সময় রুকনে ইয়ামানী এবং হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে 'রাববানা আ-তিনা ফিদ্দুনয়া হাসানাহ---' পড়া সুন্নত।
(প্রকাশ থাকে যে, আলোচ্য আয়াতে 'ইহকালের কল্যাণ'-এর তাৎপর্যে একাধিক তফসীর বর্ণিত হয়েছে; যেমনঃ পুণ্যময়ী স্ত্রী, ইবাদত, ইলম ও ইবাদত, মাল-ধন, নিরাপত্তা, প্রশস্ত রুযী, নেয়ামত বা সম্পদ ইত্যাদি। সুতরাং এর অর্থ ব্যাপক রাখাই বাঞ্ছনীয়। পক্ষান্তরে পরকালের সাথে ইহকালের সুখ-শান্তি চাওয়াও দোষাবহ নয়। আসলে কিছু লোক কেবল ইহকালের সুখই কামনা করে; কিন্তু মুসলিম কামনা করে ইহ-পরকাল উভয়ের সুখ। -সম্পাদক)
~ তাফসীর আহসানুল বায়ানরেফারেন্স | সূরা আল-বাকারা ২:২০১
কোনো ভুল পেলে রিপোর্ট করুন!

