কোন কোন জিনিসের উপর ঈমান আনা এবং কোন কোন জিনিসকে উপেক্ষা করা - সূরা আল-বাকারা ২:৮৫ | Surah Al-Baqara 2:85

কোন কোন জিনিসের উপর ঈমান আনা এবং কোন কোন জিনিসকে উপেক্ষা করা - সূরা আল-বাকারা ২:৮৫ | Surah Al-Baqara 2:85

আয়াত ও সূরা সম্পর্কে | সূরা আল-বাকারা ২ঃ৮৫

বিষয় কোন কোন জিনিসের উপর ঈমান আনা এবং কোন কোন জিনিসকে উপেক্ষা করা
সূরার নাম ও নম্বর সূরা আল-বাকারা (২)
সূরার ধরণ মাক্কী সূরা
আয়াত নম্বর ৮৫
রুকু সংখ্যা ৪০ টি
পারা বিস্তৃতি ১-৩
মোট আয়াত সংখ্যা ২৮৬ টি
اَفَتُؤۡمِنُوۡنَ بِبَعۡضِ الۡکِتٰبِ وَ تَکۡفُرُوۡنَ بِبَعۡضٍ
তাহলে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশকে বিশ্বাস কর এবং কিছু অংশকে প্রত্যাখ্যান কর?

সূরা আল-বাকারা এর ৮৫ নম্বর আয়াতের বিস্তারিত

নবী করীম (সাঃ)-এর যুগে মদীনায় আনসার (যারা ইসলামের পূর্বে মুশরিক ছিল তাদের আউস ও খাযরাজ নামে দু'টি গোত্র ছিল। ওদের আপোসে সর্বদা যুদ্ধ লেগেই থাকত। মদীনাতে ইয়াহুদীদেরও বানু-ক্বায়নুক্বা, বানু-নাযীর এবং বানু-ক্বুরায়যা নামে তিনটি গোত্র ছিল। এরাও আপোসে সব সময় লড়ত। বানু-ক্বুরায়যা আউসের মিত্র ছিল এবং বানু-ক্বায়নুক্বা ও বানু-নাযীর খাযরাজের মিত্র ছিল। যুদ্ধে এরা আপন আপন মিত্রদের সাহায্য করত এবং নিজেদেরই জাতভাই ইয়াহুদীদেরকে হত্যা করত, তাদের ঘর-বাড়ী লুণ্ঠন করত এবং তাদেরকে সেখান থেকে বহিষ্কার করত। অথচ তাওরাত অনুযায়ী এ রকম করা তাদের জন্য হারাম ছিল। আবার ওই ইয়াহুদীরাই যখন পরাজিত হয়ে বন্দী হত, তখন তাদেরকে মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত করত এবং বলত যে, তাওরাতে আমাদেরকে এর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই আয়াতগুলোতে ইয়াহুদীদের সেই আচরণের কথাই বর্ণনা করা হয়েছে। তারা তাদের শরীয়তের বিধানকে খেলার পুতুল বানিয়ে নিয়েছিল। কোন কোন জিনিসের উপর ঈমান আনত এবং কোন কোন জিনিসকে উপেক্ষা করত। কোন নির্দেশকে পালন করত, আবার কোন সময় শরীয়তের কোন গুরুত্বই দিত না। হত্যা, বহিষ্কার এবং একে অপরের বিরুদ্ধে সাহায্য করা তাদের শরীয়তেও হারাম ছিল। তা সত্ত্বেও এ কাজগুলো নির্দ্বিধায় তারা করত এবং মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি করার যে বিধান ছিল, তার উপরে আমল করত। অথচ প্রথমের তিনটি নির্দেশ (হত্যা, বহিষ্কার এবং একে অপরের বিরুদ্ধে সাহায্য না করা) যদি তারা পালন করত, তাহলে মুক্তিপণ নিয়ে মুক্ত করার প্রয়োজনই হত না। ~ তাফসীরে আহসানুল বায়ান

রেফারেন্স | সূরা আল-বাকারা ২ঃ৮৫

কোনো ভুল পেলে রিপোর্ট করুন!

ছবি ডাউনলোড (হাই কোয়ালিটি)